এভাবেই দ্বিতীয় দিনের মতো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে। শনিবার প্রায় সাত ঘন্টা চেষ্টার পর ভয়াবহ অগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনো তাঁর রেশ কাটেনি।
নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা বশির আহমেদ। রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে একথা বলেন তিনি।
একইসাথে, সুষ্ঠু তদন্ত করে সঠিক ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক তাজুল ইসলাম।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কার্গো ভিলেজের কুরিয়ার অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত। সেখানে ছিলো না আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রস্তুতি। এমনকি অগ্নিনির্বাপণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকারও অভিযোগ করেছে ব্যবসায়ী নেতারা। অন্যদিকে দাহ্য পদার্থ, রাসায়নিক গুদাম আর বাতাসের বেগ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
আবার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তারা ভেতরে ঢোকার অনুমতি পেয়েছে অনেক পরে। ততক্ষণে আগুন দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি। তবে এই ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটির বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এই আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে ওঠতে সরকারের সহযোগিতাও চেয়েছেন তারা।
এদিকে, বিমানবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বিশেষ ব্যবস্থায় চালু রাখার কথা জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ আপাতত জিএসই মেইনটেন্যান্স নামক স্থানে পণ্য রাখার জন্য স্থান নির্ধারণ করেছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ওই স্থানে পণ্যের কায়িক পরীক্ষা সম্পন্ন করছে, ৯ নম্বর গেটে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড এর সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ওই গেট দিয়ে পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া সম্পাদন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








