শনিবার

১৬ মে, ২০২৬ ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ন্যায়বিচারের পথে এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ: এইচআরডব্লিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৪৯

শেয়ার

ন্যায়বিচারের পথে এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ: এইচআরডব্লিউ
ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুম, গোপনে বন্দী রাখা ও নির্যাতন চালানোর অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এমন পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এইচআরডব্লিউ প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, বহু প্রতীক্ষার পর এই পদক্ষেপ এসেছে। এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলির লেখা প্রতিবেদনটির শিরোনাম, ‘ন্যায়বিচারের পথে এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ’।

এইচআরডব্লিউ এই আইনি পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও একই সঙ্গে সতর্ক করেছে যে, বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা এখনো ঘটছে। সংস্থাটি বলেছে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগ নিয়ে উদ্বেগের বিষয়গুলো এখনো থেকেই গেছে।

এইচআরডব্লিউ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকার ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে বাংলাদেশে কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা আরও শক্তিশালী হয়। এই সময়কালে বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন ও বাক্‌স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ সম্পর্কে এইচআরডব্লিউ-এর বিভিন্ন প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সরকার প্রায়ই তা অস্বীকার করত বা মিথ্যা আশ্বাস দিত।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত এসব দমনপীড়ন অব্যাহত ছিলো। টানা তিন সপ্তাহ তীব্র ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এই আন্দোলনে প্রায় এক হাজার ৪০০ জন প্রাণ হারান। এরপর হাসিনা, আসাদুজ্জামান ও বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

ক্ষমতাচ্যুতির পর শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দায়িত্ব নেয়। সরকারের উদ্যোগে একটি গুমবিষয়ক তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। সেখানে কমপক্ষে এক হাজার ৮৫০টি অভিযোগ জমা পড়ে।



banner close
banner close