সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পরিবারের মালিকানাধীন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস লিমিটেড (সিএনএস) সম্প্রতি বিনা দরপত্রে বিআরটিএ-আইএস (বিআরটিএ ইনফরমেশন সিস্টেম) প্রকল্পের অধীনে ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবস্থাপনা কাজটি পেয়েছে।
মোটরযানের কর ও ফি আদায়,সেতুর টোল আদায় সহ গত ১ দশকে বিআরটিএর অন্তত হাজার কোটি টাকার কাজ এককভাবে করেছে আনিসুল হকের এই প্রতিষ্ঠান।
২০১০ সাল থেকে বিআরটিএর প্রায় সব কাজই পেয়ে আসছে সিএনএস। বিভিন্ন টেন্ডারে অতিরিক্ত বিল নেয়া সহ নানা ধরনের দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগ থাকলো আনিসুল হকের কারণে সব কাজ পেতো তার প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এখনো বিআরটিএ‘কে কব্জা করে আছে সিএনএস। যার প্রমাণ, সবশেষ একটি টেন্ডার বিনা দরপত্রে কয়েকদিন আগে সিএনএসকে দেয়া হয়।
অথচ, স্বচ্ছতা এবং দুর্নীতি কমাতে এই কাজটি সেনাবাহিনীকে দিয়ে করানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান বিএমটিএফ (বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি) বিআরটিএ-কে ড্রাইভিং লাইসেন্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর একটি প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।
প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবটি দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিবেচনায় অত্যন্ত সময়োপযোগী ছিল বলে একাধিক বিআরটিএর কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শীতাংশু শেখর বিশ্বাস ‘প্রযুক্তিগত সমস্যা’ ও ‘ব্যবস্থাপনাগত অসুবিধা’র অজুহাত দেখিয়ে প্রস্তাবটি বাতিল করে দেন।
সেনাবাহিনীর মাধ্যমে কাজ না করিয়ে,কোন ধরনের টেন্ডার ছাড়াই সেই কাজের দায়িত্ব পেয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পারিবারিক প্রতিষ্টান। বিআরটিএতে এখনো ফ্যাসিস্টের দোসরদের ঘাটি, সেটাই বোঝা যাচ্ছে।!
আরও পড়ুন:








