উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হওয়া এফটি‑৭ বিজিআই মডেল প্রশিক্ষণ বিমানের ফ্রেম পুরোনো হলেও এর ইঞ্জিন আপডেট করা হয়েছিল। এমন তথ্যই জানান নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবারের ঘটনায় তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার কারণ জানতে ব্ল্যাক বক্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং পুনরায় এমন দুর্ঘটনা এড়াতে চরমভাবে সতর্কতা নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে।’
দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে, যার মধ্যে ২৫ জন শিশু, একজন পাইলট এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০টি মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহত হয়েছেন ৭৮ জন, যাদের অনেকেই রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। বার্ন ইউনিটে বর্তমানে দুজন রোগী ভেন্টিলেশনে রয়েছে।
দুর্ঘটনার সময় বিমানটিতে ইঞ্জিনগত কোনো ত্রুটির লক্ষণ পাওয়া যায়। প্রশিক্ষণ বিমানটি ছাড়ার পর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাইলট তৌকির ইসলাম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললেও চেষ্টা করেছিলেন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে বিমানের নিয়ন্ত্রণ রাখতে; তবে সেটি সম্ভব হয়নি। তিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন, পরে মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:








