আজকের এই দুর্ঘটনা নিয়ে ঠিক এমনটাই উঠে এসেছে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে।
উত্তরায় বিধ্বস্ত এই বিমানটি নব্বই দশকের প্রযুক্তিতে তৈরি—প্রায় তিন দশক পুরোনো। বলতে গেলে, আন্তর্জাতিক বাজারে এটি অনেক আগেই অচল হয়ে গেছে। অথচ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ এই অচল বিমানটি চীনের কাছ থেকে কেনে, একটি বিতর্কিত চুক্তির মাধ্যমে। এটিই ছিলো চীনের শেষ রপ্তানি—শেষ কাস্টমার বাংলাদেশ। চিন্তা করুন, একটা দেশ কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত হলে এমন পুরোনো, ব্যবহারের অযোগ্য যুদ্ধবিমান কিনে।
তবুও মূল প্রশ্নটা এখানে নয়। এই দুর্ঘটনা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হয়েছে, নাকি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে—তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির সম্ভাবনাও অস্বীকার করা যায় না, কারণ দীর্ঘদিনের পুরনো ও রক্ষণাবেক্ষণহীন একটি বিমান উড়ালে এমন দুর্ঘটনা হতেই পারে।
তবে প্রশ্নটা বড়, গভীরতর—এইসব বিমান আকাশে উড়ানো হলো কেন?
ইস্যু তৈরি করার জন্য? জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর জন্য?
আরও পড়ুন:








