জুলাই-আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বারবার দাঁড়িয়েছে ছাত্র ও জনতা। একের পর এক সফল আন্দোলনে নাড়া খেয়েছে ভারতের আধিপত্যবাদী কৌশল।
এমন পরিবর্তনের কারণে হুমকি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। বিশেষ করে ইউনূস সরকারের অবস্থানকে ভারত এক নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে। আর তাই ভারতের ‘র’তৈরি করছে নতুন নতুন চক্রান্ত। তবে তাদের ফাঁদে তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানান ভারতীয় নাগরিকরা।
৫ই আগস্টের বিপ্লবের পর থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে জনমত আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এর জবাবে একাধিকবার পণ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারত।
তবে বাংলাদেশ সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিটি চক্রান্তের জবাব দিয়ে আসছে। গেল ঈদুল আজহায় ভারত থেকে পশু না এনে, দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমেই চাহিদা পূরণ করেছে সরকার । এতে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশ এখন আত্মনির্ভর এবং সক্ষম।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারত বাংলাদেশ থেকে স্থলবন্দর দিয়ে নয় ধরনের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম কাঁচা পাট।
এ ধরণের নিষেধাজ্ঞা ভারতের নিজেদের ক্ষতি করছে। আন্তর্জাতিকভাবেও তারা বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে বলে জানান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে কোণঠাসা করতে চাইলেও, তা সফল হয়নি। বরং বাংলাদেশ আরও নতুন নতুন বন্ধু পাচ্ছে।
বাংলাদেশের উৎপাদন এখন বহুগুণে বেড়েছে। ভারত যতই চাপে ফেলতে চায়, বাংলাদেশ আরও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এক কথায়, বাংলাদেশ এখন ভারতের নিষেধাজ্ঞায় ভীত নয়— বরং নিজের শক্তিতে উঠে দাঁড়াতে শিখে গেছে।
আরও পড়ুন:








