বুধবার

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৯ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ বসে থাকবে না: জামায়াত আমির বগুড়া-৪: বিএনপি প্রার্থী মোশারফের তিন কর্মী বিদেশী পিস্তল গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ সেনাবাহিনীর হাতে আটক জামায়াত আমিরসহ নেতাদের বিরুদ্ধে গুজব-অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান সিসি ক্যামেরার আওতায় ৯০ শতাংশের বেশি ভোটকেন্দ্র: ইসি ঈদের মতো জনস্রোত সদরঘাটে, নিজের ভোট নিজে দিতে পারার আশা হাসনাতের সেই ‘প্রতিদ্বন্ধি’ প্রার্থী এবার বিএনপি থেকেও বহিষ্কার সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নীলফামারীতে ভোটের আগেই কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরি

সেই টিপকাণ্ড নিয়ে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল, ২০২৫ ০২:৩২

শেয়ার

সেই টিপকাণ্ড নিয়ে মামলা

তিন বছর আগের রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার আলোচিত টিপকাণ্ডের ঘটনায় তেজগাঁও কলেজের শিক্ষিকা ড. লতা সমাদ্দার, তার স্বামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্যকলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মলয় মালাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালতে চাকরিচ্যুত সেই কনস্টেবল নাজমুল তারেক মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে শেরেবাংলা নগর থানাকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলায় আরও যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য সুবর্ণা মোস্তফা, নাট্য অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন, সাজু খাদেম, প্রাণ রায়, সাইমন সাদিক, মনোজ প্রামাণিক, স্বাধীন খসরু, চয়নিকা চৌধুরী, আশনা হাবিব ভাবনা, জ্যোতিকা জ্যোতি, উর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সানারেই দেবী শানু, নাজনীন নাহার চুমকি, সুষমা সরকার, কুসুম সিকদার। এছাড়া শোবিজের আরও বেশ-কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

মামলায় এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ সালে টিপ পরা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের সময় এসব তারকারা ইচ্ছাকৃতভাবে পুলিশের মানহানি ঘটিয়েছেন। তারা সামাজিক মাধ্যমে ছবি ও বক্তব্য দিয়ে নাজমুল তারেকের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন, যার ফলে তার পেশাগত ও সামাজিক জীবনে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

২০২২ সালের এপ্রিলে রাজধানীর ফার্মগেটে নাজমুল তারেক টিপ পরা নিয়ে লতা সমাদ্দারকে হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। লতা সমাদ্দারের অভিযোগের পর নাজমুল তারেককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তিনি চাকরিচ্যুত হন। চাকরিচ্যুতির আদেশ চ্যালেঞ্জ করে নাজমুল তারেক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। একই সঙ্গে চাকরি ফেরত চেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে আবেদনও করেন তিনি।

টিপ–কাণ্ডের ঘটনায় চাকরি হারানোর পর নাজমুল তারেক নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, ঘটনায় কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।



banner close
banner close