বৃহস্পতিবার

৮ মে, ২০২৫
২৪ বৈশাখ, ১৪৩২
১০ জিলক্বদ, ১৪৪৬

বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের ফেরত না দিতে মোদিকে চিঠি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১৮:৪৬

আপডেট: ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১৯:০০

শেয়ার

বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের ফেরত না দিতে মোদিকে চিঠি
ফাইল ছবি।

ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের পারাদ্বীপে আটকে থাকা ৭৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে দেশে ফিরিয়ে নিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

এর মধ্যেই বাংলাদেশি জেলেদের শর্তহীন দেশে ফেরা আটকাতে প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছে উড়িষ্যা সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদক সমিতি। তিন দপ্তরেই চিঠি দিয়ে বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের দেশে ফেরা নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতার বিরোধিতা করেছে উড়িষ্যার সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, বিনা শর্তে বাংলাদেশি জেলেদের মুক্তি নয়। তাদের পরিবর্তে ফেরত দিতে হবে বাংলাদেশের জেলে আটকে থাকা উড়িষ্যার ৩১ জন মৎস্যজীবীকে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের তরফেও দাবি উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের ৭৯ জন জেলেকে ফেরানোর ব্যাপারে।

রোববার সংবাদ সম্মেলনে সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদক সংঘের সভাপতি শ্রীকান্ত পরিডা বলেছেন, গত ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশি জাহাজ দুটি ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করে। বেআইনিভাবে মাছ মারার সময় কোস্টগার্ড তাদের আটক করে পারাদ্বীপে আনা হয়। এই ছোট জাহাজে মোট ১৬০ মেট্রিক টনের বেশি মাছ ছিল। এটিকে নিলাম করার জন্য সরকারিভাবে বলা হলেও এখন মাছসহ আটক ৭৮ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরানোর জন্য সরকার চেষ্টা করছে। এটি উড়িষ্যা সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদক সমিতি বিরোধিতা করছে। তাদের বিরোধিতা লিখিতভাবে প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ও মুখ্যমন্ত্রীকে অবগত করা হয়েছে।

শ্রীকান্ত পরিডা আরও বলেছেন, ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর ৩১ ভারতীয় মৎস্যজীবী সমুদ্রের মধ্যে মাছ ধরতে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে। এ সময় তাদের গ্রেফতার করার পাশাপাশি ৩০ টন মাছ বাজেয়াপ্ত করে কোস্টগার্ড। বাংলাদেশ সরকার এখনও তাদের মুক্তি দেয়নি। যদি বাংলাদেশ সরকার ৭৮ জন মৎস্যজীবীকে নিজ দেশে নিতে চায়; তবে বাংলাদেশে কারাগারে থাকা ৩১ জন মৎস্যজীবীকে মুক্তি দিতে হবে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও ইঙ্গিতপূর্ণভাবে সপ্তাহখানেক আগেও বিধানসভায় বাংলাদেশে আটক পশ্চিমবঙ্গের ৭৯ জন মৎস্যজীবীর মুক্তির ব্যাপারে বিধানসভার অভ্যন্তরে সরব হয়েছিলেন।

ভারতীয় কোস্টগার্ডের সর্বশেষ বিবৃতিতে জানা যায়, গত বুধবার কোস্টগার্ডের নিয়মিত নজরদারির সময় আন্তর্জাতিক মেরিটাইম বাউন্ডারি লাইনের (আইএমবিএল) কাছ থেকে এফভি লায়লা-২ ও এফভি মেঘনা-৫ নামের দুটি ট্রলারসহ বাংলাদেশি জেলেদের আটক করা হয়। ওই জাহাজে থাকা মোট ৭৮ জন ক্রু সদস্যকে উড়িষ্যার পাড়াদ্বীপে নিয়ে আসা হয়।

banner close
banner close