ইউরোপের অন্যতম প্রধান টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল বাণিজ্য মেলা টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬-এ বাংলাদেশের ১৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়ে দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের সক্ষমতা তুলে ধরছে।
প্যারিসের লে বুর্জেতে সোমবার (৩১ আগস্ট) শুরু হওয়া এ মেলা চলবে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত। বৈশ্বিক ফ্যাশন ও টেক্সটাইল শিল্পের উৎপাদক, সরবরাহকারী এবং পেশাদার ক্রেতাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য, উৎপাদন সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী সমাধান প্রদর্শন করছে।
৫৯তম আসরে প্রায় ৩৫ দেশের অংশগ্রহণ
মেলার ৫৯তম আসরে প্রায় ৩৫টি দেশের প্রায় ১ হাজার ৩০০ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য এ মেলায় কাপড়, তৈরি পোশাক, অ্যাকসেসরিজ এবং বিভিন্ন ধরনের উদ্ভাবনী টেক্সটাইল পণ্যের বৈচিত্র্যময় সমাহার রয়েছে।
বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, চীন, ভারত, তুরস্ক, মিয়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ইতালিসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল উৎপাদনকারী দেশগুলো মেলায় অংশ নিচ্ছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক সোর্সিং হাব হিসেবে বাংলাদেশ তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈশ্বিক অ্যাপারেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বও প্রতিফলিত হচ্ছে।
ইপিবি প্যাভিলিয়নসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ
মেলায় অংশ নেওয়া ১৭টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কয়েকটি স্বতন্ত্রভাবে এবং অন্যগুলো রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ইপিবি প্যাভিলিয়নের অধীনে অংশ নিয়েছে।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে হুরাইন হাই টেক এইচটিএফ, এনজেড ডেনিম, স্কাইলার্ক নিট কম্পোজিট, নরবান কমটেক্স, ওয়ার্পটেক্স, বিএনএম গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি, ফেবিটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও ডিকে টেক্সটাইলসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
ডিকে টেক্সটাইলের মার্চেন্ডাইজিং ম্যানেজার ইলিয়াস বলেন, টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬-এ এখন পর্যন্ত তারা খুবই ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন। নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার বিষয়ে তারা আশাবাদী।
নতুন ব্যবসায়িক সুযোগের প্রত্যাশা
বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের কাছে দেশের টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল খাতের সক্ষমতা তুলে ধরছে।
এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বশেষ পণ্য ও সেবা আন্তর্জাতিক বাজারে উপস্থাপন, বৈদেশিক ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, নতুন ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব তৈরি এবং উদীয়মান সোর্সিংয়ের সুযোগ অনুসন্ধানের সুযোগ পাচ্ছে।
আরও পড়ুন:







