ওয়াশিংটন-মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটির অধীনে চলমান বিশেষ অভিযানে ১০ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি ও চুরিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির আওতাধীন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গত এক বছরে চার লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে ৫৬ হাজার জন দণ্ডপ্রাপ্ত গুরুতর অপরাধী। গ্রেপ্তারকৃত ১০ বাংলাদেশিকে সংস্থাটি বিশেষভাবে খারাপের চেয়েও খারাপ’ অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
উপসহকারী মন্ত্রী লরেন বিস জানিয়েছেন যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা সাম্প্রতিক অভিযানে গুরুতর অপরাধে জড়িত হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছেন। এসব অপরাধী শিশুদের ওপর হামলা চালায় বা সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে এই ধরনের অপরাধীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।
গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশিদের মধ্যে ক্যানসাস অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট স্কট থেকে কাজী আবু সাঈদ, নর্থ ক্যারোলিনার র্যালি থেকে শাহেদ হাসান, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফেলো থেকে মোহাম্মদ আহমেদ, নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স থেকে এমডি হোসেন, ভার্জিনিয়ার চ্যান্টিলি থেকে মাহতাবউদ্দিন আহমেদ, টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের মার্লিন থেকে নেওয়াজ খান, ফ্লোরিডার প্যানস্কলা থেকে শাহরিয়ার আবির, মিশিগানের মাউন্ট ক্লেমেন্স থেকে আলমগীর চৌধুরী, ভার্জিনিয়ার মানাসাস থেকে ইশতিয়াক রাফি এবং অ্যারিজোনার ফিনিক্স থেকে কনক পারভেজকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যৌন নির্যাতন, মাদকপাচার, অস্ত্রসংক্রান্ত অপরাধ, চুরি, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি ও প্রতারণা।
আরও পড়ুন:








