পিরিয়ড কিংবা ঋতুস্রাবের স্বাভাবিক নিয়মে সামান্য পরিবর্তন এলেই নারীরা চিন্তায় পড়ে যান। ভাবেন অতিরিক্ত স্ট্রেস, ডায়েট কিংবা জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে বোধহয় এমনটি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে হরমোনঘটিত সমস্যা যেমন– পিসিওএসকেও দায়ী করা হয়। কিন্তু প্রতি মাসেই যদি পিরিয়ড অনিয়মিত হতে থাকে, তবে তা সত্যিই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
আর এটি জরায়ুর ক্যানসারের কারণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। জরায়ুর ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় চট করে ধরা পড়ে না। কারণ যখন নারীরা বুঝতে পারেন, তখন অনেকটাই দেরি হয়ে যায়।
এন্ডোমেট্রিয়াল বা জরায়ুর ভেতরের স্তরে ক্যানসার হলে মাসিকের স্বাভাবিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আসে। সার্ভাইকাল ক্যানসারের ক্ষেত্রে অনিয়মিত রক্তপাত, সহবাসে কষ্ট কিংবা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হতে পারে। সেই সঙ্গে পিরিয়ড অনিয়মিত হওয়ার পাশাপাশি পেটফাঁপা ও তলপেটে ব্যথা কিংবা সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করা এ রোগের প্রধান লক্ষণ।
আর যদি পিরিয়ডের এ পরিবর্তন একটানা তিন মাসের বেশি স্থায়ী হয়, ওজন কমে যায় কিংবা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়, তবে আল্ট্রাসাউন্ড, প্যাপ স্মিয়ারের মতো সাধারণ কিছু পরীক্ষা করাতে হয়। বড় কোনো বিপদ হওয়ার আগেই রোগ নির্ণয় করে ফেলা যায়।
ক্যানসার কেবল বয়স্ক নারীদেরই হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, ৩০-এর বেশি কিংবা আশপাশে থাকা নারীদেরও এখন সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখা যাবে না। অনেক সময়ে নারীরা পিরিয়ড চলাকালীন ব্যথা বা অতিরিক্ত রক্তপাতকে স্বাভাবিক বলে মেনে নেন। কিন্তু লজ্জার কারণে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন না। যার ফলে রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়ে যায়।,
আরও পড়ুন:








