বৃহস্পতিবার

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

দাম বাড়লেই ‘মিষ্টি কুমড়োর বেগুনি’, ‘কাঠালের বার্গারের’ মতো রেসিপি দিতেন শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:৫৮

শেয়ার

দাম বাড়লেই ‘মিষ্টি কুমড়োর বেগুনি’, ‘কাঠালের বার্গারের’ মতো রেসিপি দিতেন শেখ হাসিনা
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবছরই রোজা শুরু হওয়ার আগে থেকে বাড়তে শুরু করে নিত্যপণ্যের দাম, এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। লেবুর দাম আকাশছোঁয়া, বেগুনে লেগেছে আগুন। আওয়ামী সরকারের আমলেও থাকতো নিত্যপণ্যের এমন চড়া দাম। তখন অবশ্য কোনো সবজির দাম বাড়লে তার বিকল্প কি খাওয়া যায়, তা নিয়ে বেশ ইউনিক রেসিপি দিতেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০২০ সালের রমজান মাসে যখন বেগুনের দাম অনেক বেশি ছিল তখন সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, বেগুন দিয়ে বেগুন না খেয়ে অন্যান্য কম দামী সবজি দিয়ে বেগুন খাওয়ার জন্য। আরো বলেন, মিষ্টি কুমড়া দিয়েও অনেক সুস্বাদু বেগুনী বানানো যায় এবং তারা নাকি এভাবেই খায়।

শেখ হাসিনার বহুল আলোচিত একটি রেসিপি ছিল মাংসের পরিবর্তে কাঁঠালের রেসিপি। মাংসের দাম বেড়ে যাওয়াতে তিনি মাংসের বদলে কাঁঠাল খেতে বলেছিলেন। হাসিনার এমন উদ্ভট কথা আর রেসিপির আবিষ্কারের কারণে নেটিজেনরা তাকে রেসিপি আপা বলেও উপাধি দিয়েছিলেন।

২০১৯ সালে পেঁয়াজের দাম যখন অনেক বেড়ে গিয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন, পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না হয়। তিনি আরও বলেন, তিনি পেঁয়াজ ছাড়াই রান্না করেন।

তার হাত থেকে রেহাই পায়নি কাঁচামরিচও। বর্ষাকালে যখন কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে গিয়েছিল তখন তিনি বলেছিলেন কাঁচা মরিচ যখন সস্তায় পাওয়া যায় তখন সেগুলোকে শুকিয়ে রেখে দেন বর্ষাকালে যখন কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাবে তখন সেই শুকনা মরিচের পানি ছিটিয়ে দিলেই নাকি সেগুলো আবার ব্যবহারযোগ্য হয়ে যাবে।

এমনকি ডিম সেদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন ক্ষমতাচ্যুত এই প্রধানমন্ত্রী। ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ায় তিনি বলেছিলেন, ডিম সেদ্ধ করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দেবেন। অনেক দিন ভালো থাকবে।

এদিকে, নিত্যপণের দামে কিছুতেই লাগাম টানা যাচ্ছে না। শীতের সবজি বাজার থেকে এখনও পুরোপুরি বিদায় নেয়নি, বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। এখনও ঢাকার কারওয়ান বাজারে ফুলকপি, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকার বেশি দরে।

বাজারে তিনটি ভিন্ন আকার ও ধরনের লেবু বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে ছোট আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মাঝারি ৮০ টাকায় এবং বড় সাইজের ৪টি লেবু ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। গতকাল এই তিন ধরনের লেবু ১০০ থেকে ১২০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ দিনের ব্যবধানে এক হালি লেবুর দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।



banner close
banner close