দেশব্যাপী রবিবার ক্যাম্পেইনের আওতায় শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন চলবে ওই দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ক্যাম্পেইন চলাকালে সাধারণত ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে সব শিশুই এই ক্যাপসুল খেতে পারবে না। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শিশুকে সেদিন ক্যাপসুল না দেয়ার পরামর্শ রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতীয় কর্মসূচির নির্দেশনা অনুযায়ী, ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় না। এ ছাড়া গত এক মাসের (২৮-৩০ দিনের) মধ্যে উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেয়ে থাকলে একই শিশুকে আবার ক্যাপসুল দেয়া হয় না।
তবে অনেক অভিভাবকের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি বা ডায়রিয়া থাকলে ক্যাপসুল খাওয়ানো নিয়ে দ্বিধা থাকে। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, হালকা জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া বা অপুষ্টি থাকলেও সাধারণত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যায়। অর্থাৎ এসব সমস্যা ক্যাপসুল দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নয়।
তবে কোনো শিশু যদি গুরুতর অসুস্থ থাকে বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো অবস্থায় থাকে, তাহলে আগে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করার পর স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হয়।
ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে বয়সভেদে দুই ধরনের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হয় নীল রংয়ের ক্যাপসুল ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হয় লাল রংয়ের ক্যাপসুল।
আরও পড়ুন:








