ওজন কমাতে চাইলে অনেকেই ভাবেন, না খেয়ে থাকলেই কাজ হবে। কিন্তু সত্যিটা হলো, না খেয়ে থাকলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়, ক্ষুধা বেড়ে যায় আর সারা দিনের খাওয়াদাওয়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়।
সকালের খাবার ঠিক থাকলে শুধু ওজনই নয়, পুরো দিনের এনার্জিও ঠিক থাকে। মনও থাকে ভালো।
বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ জানাচ্ছেন, ঠিকমতো সকালের নাশতা খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়।
সকালে কী খাবেন
খেয়াল রাখবেন, সকালের খাবারে যেন থাকে এই উপাদানগুলো:
ওজন কমাতে সকালের শুরুটা হোক সঠিক খাবার দিয়ে
শর্করা (যেমন ভাত, রুটি, ওটস বা নুডলস - যে কোনো একটিই যথেষ্ট)
প্রোটিন (যেমন ডিম, ডাল, মুরগি বা মাছের ছোট পিস)
আঁশ ও ভিটামিন (সবজি, বিশেষ করে পানিসমৃদ্ধ কম চিনিযুক্ত সবজি যেমন লাউ, পেঁপে, পটোল)
পর্যাপ্ত পানি (সাধারণ পানি বা হালকা লেবু পানি) কম চর্বি
এইভাবে খেলে
- পাকস্থলীর অ্যাসিড ঠিক থাকে
- হজম ভালো হয়
- অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে
- অকারণে ফাস্ট ফুড বা স্ন্যাকস খাওয়ার ইচ্ছে কমে
- ওজন কমানো সহজ হয়
স্মুদি খাচ্ছেন? তাহলে কিছু নিয়ম মেনে চলুন
ফল, শাকসবজি, বাদাম আর দই দিয়ে বানানো স্মুদি অনেক পুষ্টিকর হতে পারে, তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:
যা করবেন না
- খালি পেটে টক ফলের স্মুদি খাবেন না
- এলোমেলো অনেক উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে ফেলবেন না
- প্রতিদিন একই ধরনের স্মুদি খাবেন না
যা করবেন
- ফল ও সবজি মিলিয়ে স্মুদি বানান (কিন্তু মিল ঠিক আছে কি না, দেখে নিন)
- হালকা কিছু খাওয়ার পর স্মুদি খেলে ভালো হয়
- দই বা বাদাম মেশালে স্মুদি আরও পুষ্টিকর হয়
- সব খাবারের মতো, স্মুদিও প্ল্যান করে খেতে হবে
ওজন কমানো মানেই না খেয়ে থাকা নয়। সময়মতো ঠিক খাবার খেলে শরীর ভালো থাকে, ওজনও কমে। তাই দিনটা শুরু হোক এক গ্লাস পানি দিয়ে, আর সকালের প্লেটে থাকুক পুষ্টিকর খাবার।
শরীর আর মন - দুটোই থাকবে ভালো!
আরও পড়ুন:








