কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে দ্বিগুণ হয়েছে। হঠাৎ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ায় পৃথক দুটি ডেঙ্গু ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে হাবিব নামে এক ব্যবসায়ী ডেঙ্গুতে মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, অক্টোবর মাসে ভৈরবে ১৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও চলতি নভেম্বরের প্রথম ১৫ দিনেই শনাক্ত হয়েছে প্রায় ১১৫ জন। স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও প্রাইভেট হাসপাতালের তথ্য মিলিয়ে অক্টোবর মাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪০০–এর বেশি। রোগীদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা সীমিত, স্যালাইন ও নাপা দিয়েই বেশিরভাগ চিকিৎসা চলছে।
এদিকে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক পরিবারে একাধিক সদস্য ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কেউ হাসপাতালে, কেউবা বাড়িতে বা প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। গুরুতর রোগীদের কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
ডা. কিশোর কুমার ধর জানান, আক্রান্তের হার অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দুই থেকে তিন গুণ বেশি। তবে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা ও দ্রুত চিকিৎসাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর। বিশেষ করে ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ডেঙ্গুর এমন বিস্তারেও পৌরসভার কার্যক্রম পর্যাপ্ত নয়। তবে পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিদিন সাতটি ফগার মেশিন দিয়ে নিয়মিত মশা নিধন চলছে এবং পাশাপাশি বিভিন্ন ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক কর্মসূচিও পরিচালনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








