বুধবার

৪ নভেম্বর, ২০২৬ ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

সর্বশেষ
শ্রমিক আন্দোলনে ‘আওয়ামী দোসর’দের অপতৎপরতা; ব্যবস্থা নেয়ার দাবি বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করবে বিএনপি এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয়, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর; ধরা পড়ে যাচ্ছেন ‘বডিবিল্ডার’ শাহজালাল রুমি? ‎বাংলা এডিশনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় সিএমপির তদন্ত কমিটি গঠন রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কেমন হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সম্পর্ক নারী ক্রিকেটারদের হয়রানি; প্রতিবেদন প্রকাশ করবে না বিসিবি

‎বাংলা এডিশনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় সিএমপির তদন্ত কমিটি গঠন

‎‎বিবি মরিয়ম, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৫

শেয়ার

‎বাংলা এডিশনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় সিএমপির তদন্ত কমিটি গঠন
ছবি: সংগৃহীত

‎‎চট্টগ্রামে মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে ১৬০০ পিস ইয়াবা ও নগদ ৮১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া এবং মাত্র ১ ঘণ্টার ব্যবধানে মাদক ‘উধাও’ দেখিয়ে আসামিকে ছেড়ে দেয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। ঘটনা তদন্তে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

‎বাংলা এডিশনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর বুধবার সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী এ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। সিএমপির উপকমিশনার (ডিসি-পশ্চিম) মোঃ আলমগীর হোসেনকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

‎ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, "বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে এ ঘটনার সাথে জড়িত সবার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।"

‎এরআগে বাংলা এডিশনের অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম সিটি গেইট এলাকায় বাগেরহাটগামী একটি বাস থামিয়ে মাদক ব্যবসায়ী সোহেল হাওলাদারকে নামিয়ে নেয় আকবর শাহ থানার এসআই রবিউল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পুলিশের একটি টিম। সোহেলকে নিয়ে তারা নিকটবর্তী গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। সেখানে সন্ধ্যা ৭টা ১ মিনিটে প্রবেশের পর এক্স-রে রিপোর্টে সোহেলের শরীরে ১৬শ পিস ইয়াবার স্পষ্ট অস্তিত্ব ধরা পড়ে।

‎অভিযোগ উঠেছে, এক্স-রে রিপোর্টের সত্যতা পাওয়ার পর সোহেলকে গ্রেপ্তার না করে টোল রোডের ডিসি পার্কের পাশে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে তার শরীরে বিশেষ কায়দায় রাখা ১৬শ পিস ইয়াবা এবং পকেটে থাকা নগদ ৮১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়।

‎‎ছিনতাই সম্পন্ন হওয়ার পর রাত ৮টা ৫ মিনিটে সোহেলকে আবারও একেখান মোড়ের আল-আমিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে পুনরায় এক্স-রে করানো হয়। মাত্র ১ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় এক্স-রে রিপোর্টে সোহেলের শরীর থেকে ইয়াবা রহস্যজনকভাবে ‘উধাও’ হয়ে যায়।

‎এরপর কনস্টেবল হালিম মোবাইলে একটি ভিডিও স্বীকারোক্তি রেকর্ড করেন, যেখানে সোহেলকে দিয়ে বলানো হয় যে তার কাছে কোনো টাকা বা ইয়াবা পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৯টায় তাকে ফৌজদারহাট নার্সিং কলেজের সামনে নামিয়ে দিয়ে পুলিশের গাড়িটি চলে যায়।

‎‎পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রমাণ হাতে আসার পর বাংলা এডিশনে সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি দ্রুতই তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে সিএমপি সূত্রে জানা গেছে।



আরও পড়ুন: