বুধবার

৪ নভেম্বর, ২০২৬ ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে গ্রেপ্তার কবিরাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১৫:০২

শেয়ার

কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে গ্রেপ্তার কবিরাজ
ছবি: বাংলা এডিশন

পটুয়াখালী,প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কবিরাজির নামে এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন, ভিডিও ধারণ এবং পরে তা ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. তাইজুল ইসলাম মুসাকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানাধীন টিয়াখালী এলাকা থেকে এসআরবি-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার তাইজুল ইসলাম মুসা পটুয়াখালীর মহিপুর থানার মনসাতলী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভিকটিম লোকমুখে অভিযুক্ত মুসার কবিরাজি চিকিৎসার বিষয়ে জানতে পারেন। পরে চিকিৎসা নেয়ার জন্য তাঁর কাছে গেলে চিকিৎসার আড়ালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের সঙ্গে অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ ওঠে। এ সময় অভিযুক্ত ও তাঁর সহযোগীরা ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্তকে তাঁর মেয়েকে বিয়ে করার অনুরোধ জানালে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানান। অভিযোগ রয়েছে, এরপর অভিযুক্ত ও তাঁর সহযোগীরা ধারণ করা ভিডিও বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল ফোনে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এতে ভিকটিম ও তাঁর পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে পলাতক থাকা প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলাপাড়া থানায় হস্তান্তর করেছে এসআরবি-৮।

এসআরবি-৮-এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার সাথী আক্তার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।