প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে অর্থনীতি ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করার কথা জানানো হয়েছে। এ সহযোগিতা প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশে একটি সমুদ্রবন্দর এবং বিমানবন্দরের একটি টার্মিনাল নির্মাণ করবে জাপান। মঙ্গলবার টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে। ২৫ মিনিটের বৈঠক শেষে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশ অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং রাজধানী ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণ। এর পাশাপাশি বাংলাদেশে বিনিয়োগ, বঙ্গোপসাগর শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয়-বিগ বি, মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, উত্তর কোরিয়া ও মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট-ইপিএ) দ্রুত কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করতেও একমত হয়েছেন দুই নেতা। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। জাপানের অর্থনীতির জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট-দুই দেশের বন্ধুত্বকে অর্থনীতি, সুযোগ সৃষ্টি ও অভিন্ন সমৃদ্ধির শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। এ ছাড়া জাপানের সরকারি নিরাপত্তা সহায়তা -ওএসএ কর্মসূচির আওতায় আরও সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতেও একমত হয়েছেন দুই নেতা। এ কর্মসূচির আওতায় জাপান সমমনা দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে থাকে।
আরও পড়ুন:







