সোমবার

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১১ কার্তিক, ১৪৩৩

বগুড়ায় বাসে ৭৮০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

আবুল কালাম আজাদ,বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩১

শেয়ার

বগুড়ায় বাসে ৭৮০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
ছবি: বাংলা এডিশন

বগুড়ার শাজাহানপুরে ৪৫ দিনের নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে যাত্রীবাহী বাসে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য নিশ্চিত করেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সারমিন খানম ও তাঁর স্বামী সোহাগ মৃধা। তাঁদের বর্তমান ঠিকানা ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায়। ডিএনসির দাবি, সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার বিকেল চারটা থেকে সাড়ে পাঁচটার মধ্যে অভিযান চালানো হয়।

অধিদপ্তরের বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। বাসটির এফ-১ ও এফ-২ আসনে বসা টিকিটবিহীন দুই যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।

ডিএনসির ভাষ্য অনুযায়ী, সারমিন খানমের ডান পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের সঙ্গে কালো স্কচটেপে মোড়ানো ২০টি নীল জিপারযুক্ত প্যাকেটে ৪ হাজার পিস এবং বাম পায়ের হাঁটুর নিচে একই কৌশলে লুকানো ১৯টি প্যাকেটে আরও ৩ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে মোট ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ছিল। উদ্ধার করা ইয়াবার মোট ওজন ৭৮০ গ্রাম।

এ ছাড়া তাঁদের কাছ থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত হয়েছে বলে দাবি করা দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও সাদা রঙের দুটি অ্যাংলেট জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সামসুল আলম বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, চালানটির সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে অন্যদেরও আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আরও জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।