জয়পুরহাটের কালাইয়ে এক তরুণীকে সিঁদুর দিতে চাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নারীসহ উভয়পক্ষের পাঁচজন আহত হয়েছেন। এঘটনায় এক পক্ষের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। তবে অপর পক্ষের দাবি, তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার পুনট ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—সুবর্ণা, মলিনা রানী, গোবিন্দ, জয় ও চিচোরুন। তাঁদের মধ্যে সুবর্ণা, মলিনা রানী ও গোবিন্দ অপরপক্ষের জয় ও চিচোরুন লোক জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে তিনজনকে জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহত চিচোরুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পল্লবী নামের এক তরুণীকে দোলন নামের এক যুবক শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীতে সিঁদুর দিতে চেয়েছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ ঘটনায় যুবক দোলনের পক্ষের লোকজনের দাবি, প্রতিপক্ষ তাঁদের তিনটি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। এ সময় একজনের পায়ের রগ কেটে দেয়া হয়েছে এবং আরও একজনকে আহত করা হয়েছে। পাশাপাশি নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।
অন্যদিকে, তরুণী পল্লবীর পক্ষের লোকজনের দাবি, প্রতিপক্ষ তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে তাঁদের পক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম জানান, ঘটনাটি শুনেছেন তারা । এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন:







