চাঁদপুর শহরের মোটরচালিত রিকশাচালকদের লাইসেন্স প্রদান ও আটক করা রিকশা ছেড়ে দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভের চেষ্টা করেছেন চালকরা। বুধবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত চাঁদপুর পৌরসভার কালীবাড়ি রেলস্টেশন এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।
জানা গেছে, খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে আনুমানিক চাঁদপুর জেলা রিকশা মালিক সমিতির প্রায় ১২০ থেকে ১৩০ জন রিকশাচালক বিক্ষোভ মিছিল করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একটি মোবাইল পার্টি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা কিছুক্ষণ অবস্থান করে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন এবং হৈ-হুল্লোড় করেন।
তবে, পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও পরবর্তীতে চাঁদপুর পৌর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম(সোহেল) গাজীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ বিষয়ে কামরুল ইসলাম সোহেল বলেন, গত এক সপ্তাহ আগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা নাকি এমপি'র সাথে দেখা করতে গেলে তখন তাঁদের সাথে পূজার পরে বসার একটা কথা বলা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তিনি বিক্ষোভকারীদের কাছ থেকে।
তখন তিনি এ বিষয়টি তাদের উদ্দেশ্য উপস্থাপন করে জানিয়ে দেয় শুধুমাত্র। তারা জানান আমরা এমপির সাথে আমাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে চাই। এই জন্য আমরা একসাথে জড়ো হয়েছি। আমরা কোনো আন্দোলন করার জন্য আসিনি।
পূজার পর সংসদ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাতের আশ্বাস এবং ওই দিন রিকশা আটক বন্ধ রাখার আশ্বাস দেওয়া হলে বিক্ষোভকারীরা তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
রিকশাচালকদের দাবির বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার পর জানা যাবে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার (ওসি) অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফয়েজ আহমেদ বলেন, তারা চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এর সাথে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পূর্ব থেকে তাদের সাথে সাক্ষাৎ এর কোনো শিডিউল ছিলো না। আমরা আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে কাজ করেছি।
আরও পড়ুন:







