হবিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৬ কেজি গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। সোমবার রাতে চুনারুঘাটের দুর্গাপুর বাজার এলাকায় এবং মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে শায়েস্তাগঞ্জের ফরিদপুর এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।
এসআরবি-৯-এর শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের (সিপিসি-৩) আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করে। সোমবার রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে চুনারুঘাট উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর বাজারের সামনে সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় একটি সবুজ রঙের সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামানোর সংকেত দিলে এক ব্যক্তি নেমে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশার ভেতরে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা থেকে নীল পলিথিনে মোড়ানো এবং খাকি রঙের স্কচটেপ দিয়ে প্যাঁচানো ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গাঁজাসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নের ফরিদপুর এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দ্বিতীয় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সিলেট থেকে ময়মনসিংহগামী একটি পরিবহনে তল্লাশি চালিয়ে ১৬ কেজি গাঁজাসহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আভিযানিক দল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, চুনারুঘাট উপজেলার হাপ্টর হাওর গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম (৩৪), ওমর ফারুক (২২) একই উপজেলার উত্তর আমকান্দি গ্রামের মো. সজীব আহমেদ (২১)। এবং মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার পশ্চিম লইয়ারকুল গ্রামের রাছনা আক্তার (৩৫)।
এসআরবি-৯ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পরস্পরের যোগসাজশে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রাখার কথা জানিয়েছেন।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ও জব্দ করা আলামত হবিগঞ্জ জেলার সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-৯ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়নে গোয়েন্দা তৎপরতা ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন:







