শেরপুরের নকলা উপজেলার ৭ নম্বর টালকী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কামানিরপাড় গ্রামে মো. নুর ইসলাম, মো. ফারুক, মিন্টু মিয়া ও মো. স্বপন মিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক দাবি করে এর সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নেন সাইলামপুর-চর কামানিরপাড় এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, পূর্বশত্রুতার জেরে মো. সেলিম আজাদ নুর ইসলামে বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাঁদের দাবি, মামলার কারণে তাঁরা সামাজিক ও মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাঁরা ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে মো. নুর ইসলাম বলেন, তিনি ৭ নম্বর টালকী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি। আমি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৩ সালে আমাকে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া টালকী কাজারী বাজারে তাঁর দুটি দোকানঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
নুর ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, সেলিম আজাদ আওয়ামী ফ্যাসিস্ট, তার বাড়ি পাশে আমার জমি রয়েছে। কিন্ত সেই ফসল ঘরে আনতে পারি না, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ওই জমিতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এর পাশাপাশি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমি শেরপুরবাসী ও নকলা উপজেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আবেদন জানাই—ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। প্রকৃত ঘটনা সামনে এনে আমরা যেন ন্যায়বিচার পাই।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধ কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে কাউকে হয়রানির শিকার হতে হলে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
আরও পড়ুন:







