রবিবার

১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ৩ কার্তিক, ১৪৩৩

১০ মাস পর নতুন সহায়ক গাইড বই পেয়ে হাসি ফুটল শিক্ষার্থী বেলা রানীর মুখে

গাজীপুর, প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৫

শেয়ার

১০ মাস পর নতুন সহায়ক গাইড বই পেয়ে হাসি ফুটল শিক্ষার্থী বেলা রানীর মুখে
ছবি: বাংলা এডিশন

দীর্ঘ ১০ মাস ধরে প্রয়োজনীয় গাইড বইয়ের অভাবে অন্য সহপাঠীদের কাছ থেকে বই ধার নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বেলা রানী। অবশেষে একজন সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগীর সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় বই হাতে পেয়েছে সেই শিক্ষার্থী। নতুন বই পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে বেলা রানী ও তার পরিবার।

রবিবার দুপুরে তার হাতে তুলে দেয়া হয় এসব বই।

বেলা রানী টঙ্গীর নোয়াগাঁ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পাশাপাশি সে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গ্লোবাল কিডস স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

গ্লোবাল কিডস স্কুল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সহায়ক বইয়ের অভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে কষ্ট হচ্ছিল বেলা রানীর। বিষয়টি জানার পর তার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরে একজন সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তির সার্বিক সহযোগিতায় তার হাতে প্রয়োজনীয় সহায়ক বই তুলে দেয়া হয়।

বই পেয়ে বেলা রানী ও তার পরিবার আনন্দ প্রকাশ করেন এবং গ্লোবাল কিডস স্কুলের পরিচালকদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল কিডস স্কুলের পরিচালক মাহবুবুর রহমান জিলানী, মোহাম্মদ শামীম রেজাসহ শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

গ্লোবাল কিডস স্কুলের পরিচালক মাহবুবুর রহমান জিলানী বলেন, দারিদ্র্য যেন কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার দায়িত্ব। একটি বই শুধু পড়াশোনার উপকরণ নয়, এটি একটি শিশুর স্বপ্নপূরণের পথও তৈরি করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও শিক্ষানুরাগীরা এগিয়ে এলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার পথ আরও সহজ হবে।

গ্লোবাল কিডস স্কুলের প্রত্যাশা, সমাজের সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় কোনো শিশুর শিক্ষাজীবন যেন অভাবের কারণে থেমে না যায়।