ভোলায় এক যুবকের হামলায় এক সমাজসেবক আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আহত হোসেন ম্যানেজারকে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে ভোলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে ঢাকায় নেয়া হয়।
শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের আনন্দবাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর স্থানীয়রা মো. আশিফকে রাতে দিকে আনন্দবাজার এলাকার একটি নির্জন বাগান থেকে আটক করেন। আটকের পর তাঁকে আনন্দবাজারে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি গণপিটুনির শিকার হন বলে তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
আশিফ ওই এলাকার বাসিন্দা হালিমা বেগম (কালি) ও ধলু হাওলাদার দম্পতির ছেলে।
গণপিটুনির পর রাতে ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা আশিফকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য মো. মামুন হাওলাদার। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হামলা ও গণপিটুনির কারণ সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, ঘটনার দিন দুপুরে হোসেন ম্যানেজার আশিফকে তাঁর বাড়ির সামনে মাদক সেবন করতে দেখে তাঁকে নিষেধ করেন। পরে সন্ধ্যায় আনন্দবাজারে স্থানীয় মুরুব্বিদের নিয়ে আশিফকে মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। এ সময় আশিফের হাতে থাকা কাঁচি দিয়ে হোসেন ম্যানেজারের পেছন দিক থেকে হৃদপিণ্ড বরাবর আঘাত করে কাঁচি ফেলে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
সমাজসেবকের আহত হওয়া ও যুবকের মৃত্যুর ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, গণপিটুনির শিকার আশিককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৪টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন:







