পিরোজপুরের জিয়ানগরে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রহমানের বিরুদ্ধে। তাঁর ধরা প্রায় ২০ কেজি মাছ নিলামে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার দুপুরে মাছগুলো নিলামে তোলা হলে স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন ১ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নেন।
এর আগে শুক্রবার রাত ১২ টার দিকে মাছ গুলো উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে উদ্ধার করা হয়।
এসময় স্থানীয় সংবাদকর্মীরা সংবাদ সংগ্রহে আসলে তাদের সাথেও অসাদ আচরণ করেন অভিযুক্ত খাদ্য কর্মকর্তা।
স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে বড়শি দিয়ে রুই, কাতলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরেন ওই কর্মকর্তা। পরে একইদিন রাতে মাছ গুলো ককসিটে করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা টের পেয়ে তাকে মাছসহ আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সদস্যরা এসে মাছগুলো জব্দ করে উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখেন।
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মাহমুদ সাগর বলেন, আমি ট্রেনিং এ আছি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে। ঘটনার সত্যতা পেলে আইন অনুযায়ী আমরা ব্যাবস্থা নিব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল বলেন, খাদ্য কর্মকর্তা অবশ্যই অন্যায় করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মাছ গুলো নিলামে বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মামুনুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি সাড়া দেননি।
আরও পড়ুন:







