ব্যাট-বলের লড়াইয়ে সাংবাদিকদের সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য আর ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে মিডিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও করতোয়া—নদীর নামে গড়া চারটি দল নিয়ে শুরু হওয়া এ আয়োজনে মিলেছে ক্রীড়ার আনন্দ আর সাংবাদিকদের মিলনমেলা।
শনিবার টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া প্রতিবছর মিডিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের ক্রীড়াচর্চা অব্যাহত রাখছে। একই সঙ্গে এ আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করছে। এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার।
সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি গণেশ দাসের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টুর্নামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম। টুর্নামেন্টের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু, সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ, সাবেক সদস্য সচিব সবুর শাহ লোটাস, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলার এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রশীদ শাইন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক রেজাউল হক বাবু, স্পোর্টস রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা মোঘল, সংগঠনটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রাহাত রিটু, আবুল কালাম আজাদ, প্রতীক ওমর, সাইফুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার, আব্দুস সালাম, সানাউল হক শুভ ও আইনুর ইসলামসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় বিভিন্ন পরামর্শ দেন বক্তারা। পাশাপাশি ভুল তথ্য, গুজব, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে পেশাদার সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা, পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো, সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন, পেশাগত সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরেন বক্তারা।
খেলার মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও পেশাগত ঐক্য আরও সুদৃঢ় করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
আরও পড়ুন:







