হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে এনামুল হাসান নামে মাদক মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এনামুলের মৃত্যু হয়েছে। তবে তার স্বজনদের অভিযোগ, মৃত্যুর পর মরদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন তারা। এ ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা।
নিহত এনামুল হাসান হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আমতলী এলাকার মৃত আব্দুর রফিকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
নিহতের ভাই মো. কামরুল হাসান জানান, প্রায় তিন মাস আগে গাঁজাসহ আটক হওয়ার পর এনামুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। তার দাবি, এনামুলকে ফাঁসানো হয়েছিল। গত মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় তিনি সুস্থ ছিলেন বলেও জানান কামরুল।
তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার আদালতে এনামুলের জামিনের আবেদন করার কথা ছিল। কিন্তু ওই দিন সকাল ৭টার দিকে কারাগার থেকে ফোন করে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরে মরদেহ দেখতে গিয়ে শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার বিলাল উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এনামুল হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে কারাগারের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:







