বৃহস্পতিবার

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ৩০ আশ্বিন, ১৪৩৩

পটুয়াখালীর আলোচিত আব্বাস হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার

মোঃ ইমরান হোসেন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৭

শেয়ার

পটুয়াখালীর আলোচিত আব্বাস হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার
ছবি; বাংলা এডিশন

পটুয়াখালীর আলোচিত আব্বাস হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি

পটুয়াখালী সদর থানার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক প্রধান আসামি মো. আব্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

বুধবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মো. আব্বাস পটুয়াখালী জেলার উত্তর বাজারঘোনা এলাকার বাসিন্দা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৮ (সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং এসআরবি-১ (সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকা)-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল কুড়িল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগী আব্বাস ও তাঁর চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে রুবেলকে ছেড়ে দেয়া হলেও আব্বাসকে আটকে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

পরবর্তীকালে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে আব্বাসের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি এবং মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মগোপনে থাকা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ঢাকার বিমানবন্দর (এয়ারপোর্ট) থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে এসআরবি-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী)-এর কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ জানান, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাঁদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।