বুধবার

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২৯ আশ্বিন, ১৪৩৩

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুর,প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৩৫

আপডেট: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০০

শেয়ার

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে
ছবি; সংগৃহীত

গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট এবং যৌথ বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় প্রায় চার ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী আহত হয়েছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, অন্য কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার সকালে টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকার ইস্কুব রোডে অবস্থিত ওষুধ কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

দুপুরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ চালিয়ে যান।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক প্রভাষক বসির উদ্দিনসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা উপস্থিত হন। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আরেফিন জুনাইদ বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী আহত হয়েছেন। কারখানার ভেতরে বর্তমানে কোনো কর্মী নেই বলেও জানান তিনি।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও যৌথ বাহিনীর প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, কারখানার কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ কী- তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।