বিদ্যালয়ে শাসন করার জেরে ছুটির পর পথে এক শরীরচর্চা শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। গাছের ডাল দিয়ে শিক্ষককে মারধর করে আহত করার ঘটনায় তাঁর থুতনিতে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বগুড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষক রায়হান ইসলাম বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শরীরচর্চা বিভাগের শিক্ষক। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম রিয়াদ ইসলাম কিরন। সে ওই প্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে ছুটির পর মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন শিক্ষক রায়হান ইসলাম। পথে এপিবিএনের সামনে গাছের ডাল হাতে দাঁড়িয়ে ছিল শিক্ষার্থী কিরন। শিক্ষক সেখানে পৌঁছালে তাকে থামতে বলে সে। এরপর শিক্ষক থামামাত্রই কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাছের ডাল দিয়ে তাঁর মুখ ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায় ওই শিক্ষার্থী।
হামলায় শিক্ষকের থুতনি ফেটে যায়। পরে তাঁকে চিকিৎসা নিতে হয় এবং থুতনিতে আটটি সেলাই দেয়া হয়। ঘাড়েও গুরুতর আঘাত পেয়েছেন তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত রিয়াদ ইসলাম কিরন বগুড়া সদর উপজেলার রজাকপুর গ্রামের বিপুল মিয়ার ছেলে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে তাকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আরও পড়ুন:







