পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারের অভিযোগে আট শিশুসহ ২৩ জনকে আটক করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ জেলেকে ১৯ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া আটক আট অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।
গতকাল রবিবার দিনব্যাপী তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজা ঘোষণা করা হয়। এ সময় মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ জাল ও কয়েকটি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন বাউফল উপজেলার মমিনপুর গ্রামের কাশেম সিকদারের ছেলে রিপন সিকদার, ধুলিয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে জামাল হাওলাদার, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইসমাইল খানের ছেলে ছালাম খান, ধুলিয়া গ্রামের জব্বার হাওলাদারের ছেলে জাকির, বাকেরগঞ্জ উপজেলার আবুল সরদারের ছেলে গনি সরদার, ধুলিয়া গ্রামের হারুন খানের ছেলে আবুল কালাম, হেলাল হাওলাদারের ছেলে পারভেজ, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর ফকিরের ছেলে আরিফ ফকির, একই ইউনিয়নের ইসমাইল প্যাদার ছেলে রমিজ প্যাদা, মতলেব খন্দকারের ছেলে ইসমাইল খন্দকার, আলমগীর হাওলাদারের ছেলে ফিরোজ হাওলাদার, ধুলিয়া গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে কবির, মমিনপুর গ্রামের জালাল সিকদারের ছেলে সোলাইমান, জালাল ফকিরের ছেলে ইলিয়াস ফকির এবং সাইদুল আহমেদের ছেলে জাহিদুল।
বাউফল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কিছু জেলে নিয়মিত মাছ শিকারের চেষ্টা করেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২৩ জনকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৫ জনকে ১৯ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। আটক অপ্রাপ্তবয়স্ক আটজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:







