রবিবার

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ২৬ আশ্বিন, ১৪৩৩

নিরাপত্তার কারণে বন্ধ হলো সাজেক ভ্যালি, ফিরতে হবে পর্যটকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৩৭

শেয়ার

নিরাপত্তার কারণে বন্ধ হলো সাজেক ভ্যালি, ফিরতে হবে পর্যটকদের
ছবি সংগৃহীত

রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। রবিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। বর্তমানে সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টার মধ্যে পর্যটন এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ গন্তব্যে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সই করা জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সাজেক ভ্যালি আবার পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে স্থানীয় দুটি সংগঠনের বিক্ষোভের কারণে পর্যটকবাহী গাড়িবহর প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে ছিল। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনার পর বিক্ষোভকারীরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

রবিবার বেলা আড়াইটায় সাজেক থেকে ছেড়ে আসা গাড়িবহর উজোবাজার এলাকায় আটকে পড়ে। একই সময়ে খাগড়াছড়ি শহর থেকে সাজেকের উদ্দেশে রওনা দেওয়া গাড়িগুলো মাচালং বাজারে আটকা পড়ে। দুই স্থানে বিক্ষোভকারীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাঁরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

অবরোধের ডাক দেয় দুটি সংগঠন

শনিবার সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি সাজেকে অবরোধের ঘোষণা দেয়। রবিবার সকাল ৬টা থেকে কর্মসূচি শুরু হয়। সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াতের প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কর্মসূচির সমর্থনে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন অবরোধকারীরা। এ সময় যান চলাচলে বাধা দেওয়া হয়।

আঞ্চলিক দলের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ

সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির অভিযোগ, এলাকায় আঞ্চলিক দল জেএসএসের (সন্তু লারমা) সশস্ত্র তৎপরতা শুরু হয়েছে। দলটি স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলেও দাবি করেছে সংগঠন দুটি।

তাদের অভিযোগ, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গত বৃহস্পতিবার সমাবেশ করে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সড়ক অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।