সিলেট সদর উপজেলার ২ নম্বর হাটখোলা ইউনিয়নের সতর টেকার বাড়ি গ্রামে এক গৃহবধূর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মনগড়া দাবি করে তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন 'দি রেইনবো একাডেমি'র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রধান শিক্ষক এম. আলী। একই সঙ্গে তিনি উক্ত মৃত্যুর ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন।
শনিবার হাটখোলা ইউনিয়ন পরিষদ সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এম. আলী বলেন, অতি সম্প্রতি ওই গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর নাম জড়িয়ে নানামুখী অসত্য অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে তাঁর ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
কোনো ঘটনার সত্যতা উন্মোচনে আইনানুগ প্রক্রিয়া ও নিরপেক্ষ তদন্তের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা কিংবা সত্যতা যাচাই ছাড়া অপপ্রচার চালানো একেবারেই অনুচিত।" গৃহবধূর মৃত্যুর আসল কারণ খুঁজে বের করতে তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান। তদন্তের স্বার্থে আইনগত যেকোনো সহায়তা দিতে তিনি সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও ঘোষণা দেন।
অভিযোগকারীদের উদ্দেশ্যে এম. আলী বলেন, মনগড়া বক্তব্য না দিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা যেন যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে সংবাদ প্রকাশের জন্য তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো প্রতিহিংসা বা ব্যক্তিগত বিরোধে না জড়িয়ে তিনি কেবল আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা দেখতে চান।
উল্লেখ্য, এম. আলী দি রেইনবো একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রধান শিক্ষক এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী। রাজনৈতিকভাবে তিনি সিলেট সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, শাহ খুররম ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং সিলেট ল’ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন হাটখোলা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আজির উদ্দিন, বর্তমান চেয়ারম্যান কে এম রফিকুজ্জামান, হাটখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী, সিনিয়র সহসভাপতি আফতাব উদ্দিন, ইউপি সদস্য সুরুজ আলী ও মবশশির আলী, সাবেক ইউপি সদস্য রফিক মিয়া, শিক্ষক সাবাজ মিয়া, বিশিষ্ট মুরব্বি সাবুল মিয়া, সিলেট জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক দুলাল রেজা এবং সদর উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আরও পড়ুন:







