শনিবার

১০ অক্টোবর, ২০২৬ ২৫ আশ্বিন, ১৪৩৩

বেনাপোল বন্দর থেকে শুল্ক ফাঁকি দেয়া দুই ট্রাক পন্য আটক

হারুন অর রশিদ বাপ্পী,বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৩৫

শেয়ার

বেনাপোল বন্দর থেকে শুল্ক ফাঁকি দেয়া দুই ট্রাক পন্য আটক
ছবি; বাংলা এডিশন

বেনাপোল বন্দরের ৪১ নম্বর শেড ইনচার্জ ও কাস্টম অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে নিয়ে যাওয়া একটি পণ্য চালান রাজধানীর পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাট এলাকায় একটি গুদাম থেকে ১০২ বস্তা অবৈধ ভারতীয় কাপড় জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

এই মালামাল বেনাপোল বন্দরেে ৪১ নম্বর শেড থেকে শুল্ক না দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যা বেনাপোল কাস্টমস হাউজের এআরও আরমান ও স্টোর ইনচার্জের সহযোগিতায় পাচার করা হয়েছিল।

শুক্রবার ভোরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ওয়াইজঘাট এলাকার সামাদ প্লাজায় অভিযান চালিয়ে এসব কাপড় জব্দ করে।

এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, মো. সাইফুর রহমান, মো. সংগ্রাম হোসেন ও মো. বাবু।

পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

মামলার এজাহারে বলা হয়, এনএসআইয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, সামাদ প্লাজার নিচে অবস্থিত একটি গুদামে অবৈধভাবে ভারতীয় কাপড় মজুত রাখা হয়েছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে এসব কাপড় জব্দ করা হয়। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিরা অবৈধভাবে ভারতীয় কাপড় সংগ্রহ, মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জব্দ করা কাপড়ের উৎস এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা বিপুল পরিমানে ভারতীয় কাপড় জব্দ করি। একই সাথে হাতেনাতে তিনজনকে আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এ চোরাকারবারির সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।