যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নেয়ায় হয়রানি, অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছেন আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সী। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
রবিবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ইছালী ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গণসংযোগ করছেন। জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
জুয়েলের দাবি, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় তিনি চার লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন— এমন মিথ্যা অভিযোগে তার কাছে টাকা দাবি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, "পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান আমার কাছে আইনি সহযোগিতা চেয়েছিল। আমি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দিই। পরে তার পরিবারের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও নিশি খাতুনের সাথে আমার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরে জানতে পারি, গত ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।"
তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ প্রশাসন এবং জেলা বিএনপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল, ভাই অভি মুন্সী ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি জানতে চাইলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, "আমরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি বা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি।"
আরও পড়ুন:







