রবিবার

৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩

জীবননগরে অবৈধভাবে দোকান উচ্ছেদ অভিযোগ; নিরপেক্ষ পরিমাপের দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের

খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৩১

শেয়ার

জীবননগরে অবৈধভাবে দোকান উচ্ছেদ অভিযোগ; নিরপেক্ষ পরিমাপের দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের
ছবি: বাংলা এডিশন

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারে সড়ক উন্নয়ন ও ড্রেন নির্মাণকে কেন্দ্র করে অবৈধভাবে দোকানঘর ভাঙচুর, অপপ্রচার ও ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান।

তিনি বলেন, তারা কোনোভাবেই উন্নয়নকাজের বিরোধী নন। বরং এলজিইডি ও ঠিকাদারের নির্ধারিত লে-আউট অনুযায়ী গত ১৩ সেপ্টেম্বর নিজেদের দোকানঘরের প্রায় দুই ফুট অংশ স্বেচ্ছায় ভেঙে রাস্তা উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। পরদিন বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীকে লিখিতভাবে জানানো হয়।

রাকিবুল হাসান দাবি করেন, আরএস ৬৪১ দাগে ১৮ শতক জমির বৈধ রেকর্ড, নামজারি ও দাখিলা তাদের রয়েছে। এরপরও তাদের ‘অবৈধ দখলদার’ বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এমনকি মানুষকে সচেতন করতে স্থাপন করা ব্যানারও রোববার সকালে দুর্বৃত্তরা ছিঁড়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে সরকারি রাজস্ব সার্ভেয়ারের মাধ্যমে আরএস ৬৪১ দাগের সঠিক সীমানা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়। রাকিবুল হাসান বলেন, সরকারি জায়গায় তাদের এক ইঞ্চি জমিও পাওয়া গেলে তারা নিজ খরচে স্থাপনা সরিয়ে নেবেন।

এসময় এডিবি ও সরকারের অর্থায়নে প্যাকেজ সিডব্লিউ-১৫২-এর আওতায় ১৭ কোটি ৩২ লাখ টাকার হাসাদাহ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও অভিযোগ তোলা হয়। তিনি বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ গত ১ এপ্রিল শেষ হওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা জরিমানা ও জামানত বাজেয়াপ্তের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ কারণে বাজারে কৃত্রিম বিরোধ সৃষ্টি করে প্রকল্পের সময় বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া গত ২১ সেপ্টেম্বর কোনো লিখিত আদেশ বা নোটিশ ছাড়াই ভারী এক্সক্যাভেটর দিয়ে ব্যক্তিগত দোকানঘর ভাঙার এবং ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলন থেকে দ্রুত নিরপেক্ষ রাজস্ব পরিমাপ, সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজ শুরু এবং বাজারবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।



আরও পড়ুন: