ঢাকার ধামরাইয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সু-সংগঠিত করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে গোপন মিটিং করার অভিযোগ উঠেছে কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে।
গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য মতে গতমাসের মাঝামাঝিতে দেশকে অস্থিতিশীল ও নাশকতা তৈরি করতে পৌরসভার ডুলিভিটা এলাকায় গোপন বৈঠক করেছে ৷ অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কে জানানো হলেও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়নি৷ এতে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে৷
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার পরও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন লুৎফর। নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তাদের সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সংগঠনের কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
লুৎফর রহমান ধামরাইয়ের সাবেক এমপি ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি কুল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও আওয়ামী লীগের আমলে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্বও পালন করেছেন।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনের সময় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার, গুলিবর্ষণ ও হত্যা মামলার সম্পৃক্ততার অভিযোগে জামিনে বের হয়ে প্রকাশ্যে চলাফেরা করে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কে সুসংগঠিত করছে৷ স্থানীয়দের প্রশ্ন হত্যা মামলার আসামি এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন৷
নিষিদ্ধ সংগঠনকে ঘিরে তার তৎপরতা ও অর্থায়নের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে তার প্রকাশ্য চলাফেরা নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা লুৎফর চেয়ারম্যান সাদ হত্যা মামলায় জামিনে আছেন। তিনি ৭০ বছরের বেশি বয়সী হওয়ায় জামিন পেয়েছেন। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে মিটিং-মিছিল করলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে মামলা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
আরও পড়ুন:







