ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে তার স্বামীকে গলা কেটে হত্যারচেষ্টা এবং বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ১৩ নং উমেদপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।গুরুতর আহত ওই স্বামীর নাম মো. মিরাজ হোসেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ায় মিরাজ দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে সুমাইয়াকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরে সুমাইয়া সংসারের তেমন কাজকর্ম করেন না এবং আগের পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কথাকাটাকাটি হতো।
আহত মিরাজ বলেন, ‘আমি তিন দিন ধরে জ্বরে ভুগছি। গতকাল কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে স্ত্রীকে একটি চড় মারি।’
জানা গেছে, এরই জেরে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীর গলায় ও গোপনাঙ্গে আঘাত করেন স্ত্রী। মিরাজের চিৎকার শুনে তার বাবা-মা ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে শৈলকূপা থানার এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত সুমাইয়াকে পুলিশ হেফাজতে নেন। পুলিশ জানিয়েছে,এখনো কোনে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন:







