পঞ্চগড়ে আমন ধানে পোকার ব্যাপক আক্রমনে বাড়ছে উৎপাদন খরচ,এতে ধান চাষে লোকসানে পড়ার শঙ্কা কৃষকের।পোকা দমনে কীটনাশক প্রয়োগ করেও প্রতিকার মিলছে না। এতে হুমকির মুখে উৎপাদন নিয়েও।কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় অনাবৃষ্টি ও প্রচন্ড রোদের কারণে এবার রোপা আমন ধানের ক্ষেতে ব্যাপকভাবে বেড়েছে মাজরা পোকা ও খোলপঁচা,গোড়াপচাঁর আক্রমন। পোকা নিধনে লিফলেট বিতরন ও বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে চাষিদের।
জানা যায়,পঞ্চগড় সদর উপজেলায় ২৩ হাজার ৯৫৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদ হয়েছে।
সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী, পঞ্চগড় সদর,চাকলাহাটসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে দেখা গেছে,
কৃষকরা তাদের রোপা আমন ক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে করছেন। অনেকেই আবার মালচিং পদ্ধতিও ব্যবহার করছেন।মাজরা, পাতামোড়া ও গোড়াপচাঁসহ ক্ষতিকর নানা পোকা আক্রমণ করেছে।পোকা দমনে কৃষকেরা দুই থেকে পাঁচবার বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করছেন।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, একবার বিঘায় স্প্রে করতে ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা খরচ হয়। এতে উৎপাদন খরচ বিঘায় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা বাড়ছে বলে দাবী তাতের । তারা আক্ষেপ করে বলেন ধান বিক্রির সময় ন্যায্য দাম পাইনা।ধানের দাম পায় ব্যবসায়ীরা।
সদর উপজেলার প্রধানপাড়া এলাকার চৌধুরী নামের এক কৃষক বলেন,একে একে তিনবার কীটনাশক স্প্রে করার পরে পোকা কিছুটা কমেছে।একবার স্প্রে করতে বিঘায় এক হাজার টাকা খরচ হয়।আরো স্প্রে করতে হবে।
কৃষক করিমুল ইসলাম ও ছবুর আলী বলেন, স্বর্ণা জাতের আমন ধান চাষ করেছেন। তাদেরসহ গ্রামের অধিকাংশ কৃষকের জমি মাজরা পোকা ও খোল পঁচায় আক্রান্ত। পোকা দমনের জন্য।
প্রায় সব কৃষক দানাদার ও তরল জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করেছে। কিন্তু কিছুতেই থামানো যাচ্ছেনা পোকার আক্রমণ।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার কৃষি অফিসার আসাদুন্নবী বলেন, অনাবৃষ্টির কারণে আমন ধানে মাজরা ও পাতা মোড়ানো পোকা এবার বেশি হয়েছে। কৃষক কীটনাশক দোকানে গেলে নরমাল ঔষধ। উন্নতমানের ঔষধ একবার ব্যবহার করলেই পোকা সেড়ে যাবে। কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। অনেকেই উপকার পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:







