নওগাঁর সিভিল সার্জন অফিসের সরকারি ওয়েবসাইটে এখনো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি রয়েছে। পাশাপাশি আগের সময়ের বিভিন্ন তথ্য ও কার্যক্রমের ছবিও রয়ে গেছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারি দপ্তরের ওয়েবসাইটটি পুরোপুরি হালনাগাদ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে এর নিয়মিত তদারকি নিয়ে।
সিভিল সার্জন অফিস, নওগাঁর সরকারি ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা যায়, ‘আমাদের অর্জনসমূহ’ পাতায় ‘স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশের সাফল্যের স্বীকৃতি আজ বিশ্বব্যাপী: প্রধানমন্ত্রী’ শিরোনামে শেখ হাসিনার বক্তব্য ও ছবি সংবলিত পুরোনো কনটেন্ট এখনো প্রদর্শিত হচ্ছে। ওয়েবসাইটে কনটেন্টটি ২০১৮ সালে প্রকাশের তথ্যও রয়েছে।
ওই পাতায় স্বাস্থ্যখাতে সরকারের বিভিন্ন সাফল্য, শেখ হাসিনার বক্তব্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-সংক্রান্ত পুরোনো তথ্যও রয়েছে। ফলে সরকারি স্বাস্থ্য দপ্তরের ওয়েবসাইটে আগের সময়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ছবি ও সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট এখনো দৃশ্যমান।
ওয়েবসাইটের ফটো গ্যালারিতেও ২০১৮ ও ২০২৩ সালের বিভিন্ন কার্যক্রমের ছবি রয়েছে। হোমপেজে ‘অফিস ০৭-০৬-২০১৮’ ও ‘অফিস ১১-০৯-২০২৩’সহ কয়েক বছর আগের বিভিন্ন ছবি ও কার্যক্রমের তথ্য দেখা যায়।
এদিকে ওয়েবসাইটের কর্মকর্তাদের তালিকায় বর্তমানে নওগাঁর সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মো. আমিনুল ইসলামের নাম ও পরিচয় দেয়া রয়েছে। অর্থাৎ কর্মকর্তা সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করা হলেও ওয়েবসাইটের বিভিন্ন অংশে পুরোনো ছবি ও কনটেন্ট এখনো রয়ে গেছে। অথচ ওয়েবসাইট টি হালনাগাদ করা হয়েছে ৩১ আগস্ট, ২০২৬ এ।
এ ছাড়া ওয়েবসাইটের ‘এক নজরে অফিস সম্পর্কিত’ পাতায় সিভিল সার্জন অফিসের ফেসবুক পেজে বিভাগের কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত আপডেট করার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পুরোনো ছবি ও কনটেন্ট এখনো বহাল থাকায় ওয়েবসাইটের নিয়মিত হালনাগাদ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ পোগ্রাম গুলো সব গুলোতো সরকারি পোগ্রাম। ছবিগুলো হয়তো খেয়াল করেনি। আমি এখনি সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলছি।
এ ব্যাপারে সহকারী পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সবুর বলেন, বিষয় টি খেয়াল করিনি, এখনি সরিয়ে নিচ্ছি।
সরকারি দপ্তরের ওয়েবসাইটে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কর্মকর্তা, কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়। ফলে পুরোনো ছবি ও সময়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় হালনাগাদ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে।
আরও পড়ুন:







