মঙ্গলবার

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

দুয়ারে কড়া নাড়ছে শীত,কুয়াশায় ঢেকেছে পঞ্চগড়ের জনপদ

মো.সম্রাট হোসাইন,পঞ্চগড় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:২৬

শেয়ার

দুয়ারে কড়া নাড়ছে শীত,কুয়াশায় ঢেকেছে পঞ্চগড়ের জনপদ
ছবি: বাংলা সংগৃহীত

দেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে এরই মধ্যে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। মধ্য রাতের পর বাড়ছে কিছুটা ঠান্ডার অনুভূতি,আর ভোরের প্রকৃতি জানান দিচ্ছে দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। তাই প্রকৃতির আগাম বার্তা যখন শিশির আর কুয়াশায় স্পষ্ট,তখন শীতার্ত মানুষের জন্য প্রস্তুতিটাও হতে হবে আগেভাগেই। কারণ, কারও কাছে শীত মানে প্রকৃতির সৌন্দর্য। আর কারও কাছে, এক টুকরো উষ্ণতার অপেক্ষা।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৬ টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৩৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয়রা জানান,বর্ষার আমেজ পুরোপুরি কাটতে না কাটতেই এবারও মধ্যরাত থেকেই কিছুটা অনুভূত হচ্ছে ঠান্ডা বাতাস। ভোরে দেখা মিলছে কুয়াশা আর শিশিরের। ঘাসের ডগায় জমে থাকা স্বচ্ছ শিশিরবিন্দু,চারপাশে কুয়াশার আবরণ আর উত্তরের হিমেল বাতাস সবকিছুতেই মিলছে ঋতু বদলের আগাম বার্তা। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থানের কারণে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পঞ্চগড়ে শীতের অনুভূতি আসে আগেভাগেই।

শুড়িভিটা এলাকার আবুল কালাম জানান, সকালে রাস্তাঘাট ঢেকে আছে কুয়াশার আবরণে। আর উত্তরের দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে শরীরে অনুভূত হচ্ছে শীতের পরশ। পঞ্চগড়ের ভোর যেন আগেভাগেই বলে দিচ্ছে শীত আসছে।

রিয়াজ উদ্দিন জানান, জেলায় শীত এখনই অনুভব হচ্ছে তবে শীত বাড়লে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষরা। ভোর হলেই বেড়িয়ে পড়েন পাথর ও চা শ্রমিক, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষরা। হিমেলও হাওয়া আর কুয়াশার মাঝেই নদীতে পাথর তুলতে ও শিশির ভেজা চা পাতা কাটার জন্য বেড়িয়ে পড়েন শ্রমিকরা৷

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান ,শীত মৌসুমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পঞ্চগড়ে সর্বোচ্চ শীত অনুভত হয়৷ মৌসুমের বেশীরভাগ দিনে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এই জেলায়৷ তাপমাত্রার পারদ পৌঁছে যায় এক অঙ্কের ঘরে।