মহাপরিচালক ' বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে চোরাচালানী মালামাল, মাদকদ্রব্য কিংবা অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যগণ কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০১.০০ ঘটিকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধিনস্থ সোনাইকান্দি বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, দামকুড়া থানাধীন সোনাইকান্দি নামক এলাকা দিয়ে মাদকদ্রব্যের একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র আভিযানিক দল তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌঁছেলে মাদক কারবারীরা বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরক্ষনে আভিযানিক দল কাউকে দেখতে না পেয়ে আশেপাশে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে বস্তা দেখতে পায়ে এবং বস্তাটি খুললে তার মধ্য হতে ৫৩ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত সিরাপ দামকুড়া থানায় জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
একই দিনে রাত্রি আনুমানিক ০২.০০ ঘটিকায় অত্র ব্যাটালিয়ন এর অধিনস্থ প্রেমতলী বিওপি’র নিয়মিত টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, গোদাগাড়ী থানাধীন কুমারপাড়া নামক এলাকা দিয়ে কিছু অবৈধ ভাবে চোরাচালানী মালামালের একটি চালান পাচার করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রেমতলী বিওপি’র টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আম বাগানের মধ্যে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার টহল দল দেখতে পায় যে, একজন চোরাকারবারী একটি ব্যাগ নিয়ে আম বাগানের দিকে আসছে। তৎক্ষণাৎ তাকে ধরার জন্য ধাওয়া করলে চোরাকারবারী নিকট থাকা ব্যাগটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র টহল দল কর্তৃক ব্যাগটি তল্লাশী করে ৪, ৬০০ পিস ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল রাজশাহী শুল্ক অফিসে জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদেরকে শনাক্তকরণ এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বিজিবি কর্তৃক গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রেখছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি ১ এর কর্মকর্তারা ।
আরও পড়ুন:







