রবিবার

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভোলায় মহিষ চোরদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে প্রশাসনীক পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন

শফিক খাঁন,ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৮

শেয়ার

ভোলায় মহিষ চোরদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে প্রশাসনীক পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন
ছবি: বাংলা এডিশন

ভোলায় মেঘনার বুকে জেগেউঠা চর মদনপুর,নেয়ামতপুর,চর বৈরাগী ভোলার চর সহ ৮৫ টি চরের সুচনা লগ্ন থেকেই কোন না ব্যাক্তিদের হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে চরগুলো।

আর এই চরের নিয়ন্ত্রণ কর্তা বাবুদের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়ত মহিষ চুরির ঘটনা যেন চোর পুলিশ খেলা।

বিগত ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর থেকে চরাঞ্চলে মহিষ চুরির ঘটনা বে পরোয়া হয়েছে বলে প্রকাশ করেন বক্তারা।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে লিখিত অবগত করলরও মিলেনি বিচার।

এ যেন চোর প্রমাসনের এক মঞ্চ নাটক হিসেবেই এখন দেখছেন চরাঞ্চলের মহিষ মালিকরা।

বর্তমানে দৌলতখান উপজেলার বিচ্ছিন্ন চর মদনপুর, নেয়ামতপুর,ও বৈরাগী চরে মহিষ চুরি যেন নিত্য দিনের রুটিন হয়ে দাড়িয়েছে। মহিষ মালিকদের দাবি অতিদ্রুত এই চোর চক্রকে চিন্হিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

আর এ চুরিতে পথে বসতে শুরু করেছে মহিষ মালিকরা, শত চেষ্টা করেও রোধ করতে পারছেন না মহিষ চুরি। মহিষ চুরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ভোলা প্রেশ ক্লাবের সামনে ভোলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্ত মহিষের মালিকসহ স্থানীয়রা অংশ নেন।

রবিবার সকাল ১০ টায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে আয়োজন কমিটির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ডাঃ শামীম রহমান এর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন সমিতির সভাপতি মন্ডলির সদস্যরা।

তাদের অভিযোগ, এলাকায় একের পর এক মহিষ চুরির ঘটনা ঘটলেও চোরচক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন খামারি ও গৃহস্থরা।

বক্তারা বলেন, রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ চোরচক্র মহিষ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। দ্রুত চুরি বন্ধ এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের কাছে মহিষ চুরি প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো, চোরচক্র শনাক্ত করা এবং চুরি যাওয়া মহিষ উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এতে একদিকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মহিষ মালিক ও খামারিরা, অন্যদিকে বিপর্যস্ত হচ্ছে ভোলার ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য কাঁচা দই।

মানববন্ধন থেকে মহিষ মালিক সমিতি ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহবান করেন।

১)অতিদ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ৪০০ মহিিষ উদ্ধার কনতে হবে।

২) অপরাধীদের গ্রেফতার করতে হবে

৩)রাখালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে

৪)সর্বসানান্ত মহিষ মালিকদের ঘুড়ে দাড়াতে সরকারি সহায়তা দিতে হবে

৫)মহিষের স্থায়ী আবাসন ( কিল্লা) নির্মান করতে হবে।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরো কর্মসূচীর ঘোষনা দেন মহিষ মালিক সমিতি।