ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অভিযান চালিয়ে ৪৭ কেজি গাঁজাসহ মো. হোসাইন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। এ সময় গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে নবীনগর উপজেলার কোনাঘাট মোড় এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-৯ সূত্রে জানা যায়, ওই দিন বিকেল ৫:৪০ মিনিটের দিকে নবীনগর উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল জানতে পারে কসবা এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকারে করে মাদকদ্রব্য নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি রাধিকা-নবীনগর সড়ক দিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছেন।
সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবির সদস্যরা নবীনগর থানাধীন কোনাঘাট মোড়ের উত্তর পাশে একটি দোকানের সামনে পাকা সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করেন। পরে একটি সিলভার রঙের প্রাইভেটকারকে থামানোর জন্য সংকেত দেওয়া হলে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা এসআরবির উপস্থিতি টের পান।
এ সময় প্রাইভেটকার থেকে নেমে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে অভিযানকারী দলের সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার হেফাজতে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করলে তার দেখানো মতে প্রাইভেটকারের পেছনের ব্যাকডালা থেকে নীল রঙের পলিথিনে খাকি রঙের স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৪৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি মো. হোসাইন কসবা উপজেলার গানপুর গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।
এসআরবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হোসাইন স্বীকার করেছেন যে, তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার হোসাইনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাকে এবং জব্দ করা গাঁজাসহ প্রাইভেটকার নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-৯ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদক কারবার ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।
আরও পড়ুন:







