মঙ্গলবার

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির অভিযোগে মামলা; কারাগারে ১৫ জন

‎জান্নাতুল বাকী, জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:১০

শেয়ার

শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির অভিযোগে মামলা; কারাগারে ১৫ জন
ছবি: বাংলা এডিশন

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১০ জন বিসিআইসি সার ডিলারসহ ১৫ আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

‎মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকেলে তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান।

‎কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন—সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন। এছাড়া ডিলার পরিচালনাকারী আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতন রয়েছেন।‎

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে গত ২২ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলার ১৫ জন ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।

‎মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করে সার বিক্রির রেজিস্ট্রার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করা হয়। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে সরকারি বরাদ্দের সার বিক্রির ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, অধিক মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয় এবং কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হতে হয়।‎

‎মামলার আসামিরা এর আগে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার তাঁরা শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন।

‎পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।



আরও পড়ুন: