কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা ও ৮ মাস বয়সী ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তার বড় ভাবি রাবেয়া বেগমকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাকে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (কুমেক) পাঠান।
নিহতরা হলেন বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬২) ও তার ৮ মাস বয়সী ভাতিজি। শিশুটির নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা শামীম আহসান বলেন, সকালে চিৎকার শুনে তারা ঘরে গিয়ে পেয়ারা বেগমের লাশ মেঝেতে এবং ৮ মাস বয়সী শিশুটির লাশ খাটের ওপর পড়ে থাকতে দেখেন। পরে এলাকাবাসী ঈমনকে আটক করে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তিনি জানেন না বলে জানান।
ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। ছেলেটি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ বলে শুনেছেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্তারিত জানার পর এ বিষয়ে বলা যাবে।
দেবিদ্বার ও ব্রাহ্মণপাড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহীন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। তিনিও সেখানে যাচ্ছেন। দুজনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন:







