উত্তরের জেলা জয়পুরহাট ও আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্ত শেড বা যাত্রীছাউনি না থাকায় প্রতিদিনই চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হাজারও যাত্রী। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী যাত্রীরা।
স্টেশনে বৃষ্টি শুরু হলেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটে বেড়ান যাত্রীরা। কেউ স্টেশনের কাউন্টারে, কেউ দোকানে, কেউবা আবার আশ্রয় নেন ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে। কিন্তু ট্রেন আসার ঘোষণা এলেই, যেতে হয় ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে। ট্রেনে উঠতে বা নামতে বাধ্য হয়েই রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে ২০ থেকে ৩০ মিনিট পূর্ব থেকে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করতে হয়। আর তখনই চরম বিপাকে পড়েন যাত্রীরা।
আক্কেলপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ মিটার। অথচ পুরো প্ল্যাটফর্মে নেই কোনো যাত্রীছাউনি।ফলে বৃষ্টির পানিতে ভিজে এবং তীব্র রোদে ছায়ার অভাবে প্ল্যাটফর্মে থাকা হয়ে ওঠে কষ্টকর। শুধু সাধারণ যাত্রী নয়, রোগী ও বয়স্কদের নিয়ে যাতায়াতকারীদের ভোগান্তি আরও বেশি। চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যাওয়ার সময় বৃষ্টিতে ভিজে যায় প্রেসক্রিপশন, চিকিৎসার রিপোর্ট, ওষুধ ও খাবার। আবার প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘক্ষণ খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় অসুস্থ রোগীর শারীরিক কষ্টও বাড়ে।
আক্কেলপুর স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত মিলিয়ে ২০ থেকে ২২টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ এ স্টেশন ব্যবহার করেন। ট্রেন ক্রসিংয়ের কারণে সপ্তাহে গড়ে ২০ থেকে ২৫ বার ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন দাঁড়ায়
ভুক্তভোগী যাত্রী রা বলেন, এই ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে রোদ বৃষ্টিতে যাত্রীদের খুব কষ্ট হয়,বৃষ্টি বাদল হলে মানুষের খুব কস্ট হয়।অনেক সময় যাত্রীরা ট্রেন মিস করে। আমরা চাই এই ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম এ যাত্রী ছাউনি হোক।
আক্কেলপুর স্টেশনমাস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রী ছাউনি না থাকার কারণে যাত্রীদের বিরাট ভোগান্তি হচ্ছে। এখানে প্ল্যাটফর্মটি ছোট, যাত্রীদের অসুবিধা হচ্ছে। এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষরাও জানে। আগামীতে রেলের একটা এক্সটেনশন হওয়ার কথা আছে সেই মুহূর্তে এই যাত্রী ছাউনি করার চিন্তাভাবনা আছে।
মোঃ আব্দুল হাই, জয়পুরহাট
আরও পড়ুন:







