শনিবার

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০ আশ্বিন, ১৪৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আট কেজি গাঁজা উদ্ধার: গ্রেপ্তার এক

মোছাব্বির হাসান সজীব,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৯

শেয়ার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আট কেজি গাঁজা উদ্ধার: গ্রেপ্তার এক
ছবি: বাংলা এডিশন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় র‍্যাবের অভিযানে ৮ কেজি গাঁজাসহ মো. রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার এক সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যায়। র‍্যাবের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল তারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের রঘুরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৯। রবিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হলেন, মো. রুহুল আমিন। তিনি কসবা উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে।

র‍্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল কসবা থানাধীন নয়নপুর বাজার এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে, বায়েক ইউনিয়নের রঘুরামপুর এলাকার খোরশেদ আলমের বসতঘরে কয়েকজন ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের দলটি রাত আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা দুজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় র‍্যাব সদস্যরা একজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপরজন কৌশলে পালিয়ে যায়।

পরে আটক রুহুল আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার হেফাজতে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেখানো ও হেফাজতে থাকা পাটের সুতলি দিয়ে বাঁধা চারটি বান্ডিল তল্লাশি করে মোট ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি স্বীকার করেছেন, তিনি ও পলাতক ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ও পলাতক সহযোগীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও জব্দ করা গাঁজা পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-৯ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকদ্রব্যের অবৈধ পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় ও বিস্তারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।