রবিবার

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৯ ভাদ্র, ১৪৩৩

আইএইচটি ছাত্রী-শিক্ষক ‘উধাও’ খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

এস এম জাহাঙ্গীর, রাজশাহী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:১৮

আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:১৮

শেয়ার

আইএইচটি ছাত্রী-শিক্ষক ‘উধাও’ খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে  শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) এক ছাত্রী ও শিক্ষককে ‘নিখোঁজ’ এবং তাদের নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব’ দাবি করে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবি করেছেন ওই ছাত্রী মেহেরুন নাহার মৌ ও তার বাবা মোসলেম উদ্দিন।

রবিবার সকালে আইএইচটি প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি মেহেরুন নাহার মৌ ও একই বিভাগের শিক্ষক অসীম কুমার ঘোষকে নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বাড়ি যাওয়ার কথা বলে হোস্টেল থেকে ছুটি নিয়েছিলেন মৌ। একই সময়ে দুই দিনের ছুটি নিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়েন শিক্ষক অসীম কুমার ঘোষ। তাদের মোবাইল ফোনের লোকেশন একই এলাকায় পাওয়া গেছে -এমন তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রকাশিত সংবাদে আরও দাবি করা হয়, ওই ছাত্রী ও শিক্ষকের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল এবং তারা বরিশাল সদর এলাকায় অবস্থান করছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগও তোলা হয়।

তবে রোববারের মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা এসব তথ্যকে ‘গুজব’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেন। তাদের অভিযোগ, যথাযথভাবে তথ্য যাচাই না করেই বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এতে আইএইচটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কাউকে নিয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের আগে তা যাচাই করা জরুরি। যারা এ বিষয়ে গুজব ছড়িয়েছেন, তাদের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা।

মানববন্ধন শেষে এ বিষয়ে কথা বলেন মেহেরুন নাহার মৌ। তিনি দাবি করেন, তাকে নিয়ে প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ গুজব ও ভিত্তিহীন। যে সময়ে তাকে ‘নিখোঁজ’ বলা হয়েছে, সে সময় তিনি বাসায় ছিলেন।

মৌ বলেন, ‘বিষয়টি পুরোপুরি গুজব ও ভিত্তিহীন। আমি ওই সময় বাসাতেই ছিলাম।’ একই দাবি করেছেন তার বাবা মোসলেম উদ্দিন। তিনি বলেন, তার মেয়ে নিখোঁজ ছিল না, সে বাড়িতেই ছিল।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের আগে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্য যাচাই করা জরুরি। তাদের দাবি, গুজবের কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।